তথ্যপ্রযুক্তি

১২ দেশের অনলাইনে অভিনব কায়দায় নজরদারি

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

ইরান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ ১২ দেশের সাইবারস্পেসে ব্যবহারকারীদের ওপর অভিনব কায়দায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চেকপয়েন্ট এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসি।

বিজ্ঞাপন

এই গোপন নজরদারির সঙ্গে জড়িত একটি গ্রুপ ডোমেস্টিক কিটেন বা, এটিপি-৫০। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ – ২০১৮ সাল থেকে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলে তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এ প্রক্রিয়ায় কিছু কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমনঃ গুগল প্লে স্টোর থেকে জনপ্রিয় কোনো ভিডিও গেম রি প্যাকেজিং, জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টের নামে ভুয়া অ্যাপ তৈরি, ভুয়া মোবাইল সিকিউরিটি অ্যাপ গ্রাহককে গছিয়ে দেওয়া, স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বিশেষায়িত অ্যাপ ব্যবহার, বিশেষভাবে বানানো ওয়ালপেপার সরবরাহ। ব্যবহারকারীরা কোনোভাবে এগুলোর যে কোনো একটিতে সংযুক্ত হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের তথ্য চলে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের হাতে।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান চেকপয়েন্টের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, ইরানে সহস্রাধিক ব্যবহারকারীকে নজরদারির আওতায় আনতে দুইটি অপারেশন চলমান আছে। যার মাধ্যমে কৌশলে ব্যবহারকারীদের পার্সোনাল কম্পিউটার এবং মোবাইল ডিভাইসে স্পাইওয়্যার ইনস্টল করে দেওয়া হচ্ছে। ওই স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের কল রেকর্ডিং এবং মিডিয়া ফাইল চলে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের হাতে।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি সাইবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই সাত দেশে তারা ১২০০ ভুক্তভোগী খুঁজে পেয়েছে যারা ওই গোপন নজরদারির শিকারে পরিণত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৬০০ জনের কাছ থেকে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, আরেকটি গ্রুপ যারা ইনফি বা প্রিন্স অব পার্সিয়া নামে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০০৭ সাল থেকে ইরানসহ ১২ দেশে আবাসিক ভবন এবং অফিসে সংযুক্ত কম্পিউটার এবং মোবাইল ডিভাইস থেকে ব্যবহারকারীদের অজান্তে স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। তারা ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে ম্যালওয়ার ব্যবহারকারীদের পাঠাচ্ছে। এবং ওই লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে গোপন নজরদারির আওতায় আসছেন ব্যবহারকারীরা।

বিজ্ঞাপন

যদিও, ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি।

অপরদিকে, ২০১৭ সাল থেকে অন্তত ১০টি প্রতিষ্ঠান এরকম গোপন নজরদারির ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তাদের মধ্যে অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে – এমন তথ্য জানিয়েছে চেকপয়েন্ট।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম


Source link

আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button