পরবাস

প্রবাসে কনস্যুলেট-মিশনে বিজয় দিবস উদযাপন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: টোকিও, স্টকহোম, হ্যানয়, নিউইয়র্ক, নয়াদিল্লিসহ প্রবাসের বিভিন্ন শহরে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট বা মিশনে যথাযথ মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে এই আয়োজনে।

বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কার্যালয় জানিয়েছে, বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্ক ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় এবং যথাযথ মর্যাদায় ৫০তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা।

প্রবাসে কনস্যুলেট-মিশনে বিজয় দিবস উদযাপন

বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্ক ও আশপাশের অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি আয়োজিত বিজয় দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে যুক্ত হয়ে অংশ নেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহিদদের হত্যাকারী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের যারা যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে রয়েছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়া ও বিচারের রায় কার্যকরের জোরালো দাবি নিয়ে ‘গণস্বাক্ষর’ নিউইয়র্ক রাজ্যের রাজনৈতিক নীতি-নির্ধারকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করতে তিনি আমেরিকায় ভোটাধিকারপ্রাপ্ত বাংলাদেশি-আমেরিকানদের প্রতি আহ্বান জানান।

সুইডেনে বাংলাদেশের স্টকহোম মিশন জানিয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। দূতাবাসের প্রথম সচিব সায়মা রাজ্জাকীর সঞ্চালনায় দুপুরে দূতাবাসের মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এ আয়োজনের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয় এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সমবেত কণ্ঠে শুদ্ধ স্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রবাসে কনস্যুলেট-মিশনে বিজয় দিবস উদযাপন

এরপর এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নির্মমভাবে নিহত শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। নীরবতা পালন শেষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত প্রতীকী জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

এরপর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিজয় শুভেচ্ছাবার্তার ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এরপর অনলাইনে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির পিতার অবিস্মরণীয় ভূমিকা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সারাবাংলা/জেআইএল/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button