আইন-বিচার

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাফায়েত কারাগারে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর বেসরকারি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগের মামলায় আসামি সাফায়েত জামিলের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. সাজেদুল হক আসামি সাফায়েত জামিলকে এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছিন আহসান চৌধুরী তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এদিকে আসামির পক্ষের আইনজীবী এম এ বি এম খায়রুল ইসলাম (লিটন) জামিনের আবেদন করে পরবর্তীতে শুনানি করার প্রার্থনা করেন। এ শুনানি শেষে সাফায়েত জামিলকে কারাগারে পাঠিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি জামিন শুনানির তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি এ আসামির এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

গত ৪ ফেব্রুয়ারি সাফায়েত জামিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আসামি আরাফাতের বাসায় যান। আরাফাতের বাসায় স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী ও রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান। মদ্যপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ধর্ষণের পর রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুইদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর রোববার তরুণী মারা যায়।

এ ঘটনায় গত ৩১ জানুয়ারি চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/একে


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button