আইন-বিচার

কিশোর হাসান হত্যা: ৭ জনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে রাজধানীর মুগদার মান্ডায় হাসান মিয়া (১৬) নামে একটি কিশোরকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত কিশোরকে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান সাত কিশোরকে আদালতে হাজির করেন। এসময় রতন নামে এক আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হলে তা রেকর্ড করা হয়। তাকেসহ বাকি ছয় জনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন ছয় জনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন। আরেক আসামি রতন (১৭) পরে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অসম্মতি জানায়। পরে আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মো. নোমান তাকেও কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার বাকি আসামির হলো— তানভীর (১৬), রাতুল (১৬), ফাহিম (১৬), রিয়াদ (১৬), নিশাত (১৬) ও  আবু বক্কর সিদ্দিক (১৭)।

এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে মান্ডার লেক তুষার শাহ আলমের গলিতে ৮/১০ জন মিলে হাসানকে খুন করে। এ ঘটনায় হাসানের বাবা আশরাফুল ইসলাম মুগদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, মূলত সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে ‘ব্যান্ডেজ’ গ্রুপের সদস্যরা হাসান মিয়াকে খুন করে। সালাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই দ্বন্দ্বের শুরু হয়।

সারাবাংলা/এআই/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button