আইন-বিচার

‘মত প্রকাশ ও স্বাধীন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে অভিজিৎ হত্যা’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণকে মত প্রকাশ ও স্বাধীন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার উদ্দেশে অভিযুক্ত আসামিদের অভিন্ন অভিপ্রায় ছিল বিজ্ঞান মনস্ক ব্লগার অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান অভিজিৎ হত্যা মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে এ কথা বলেন।

আলোচিত ওই মামলার রায়ে বহিষ্কৃত পলাতক মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়াও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিচারক পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলা একাডেমির বইমেলায় বিজ্ঞানমনস্ক লেখকদের আড্ডায় অংশ গ্রহণ করে ফেরার পথে আক্রমণের শিকার হন অভিজিৎ। স্বাধীনভাবে লেখালেখি ও মত প্রকাশের জন্য অভিজিৎ রায়কে নিজের জীবন দিয়ে মূল্য দিতে হয়। অভিজিৎ রায়কে হত্যার উদ্দেশ্য হল জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বন্ধ এবং নিরুৎসাহিত করা, যাতে ভবিষ্যতে কেউ স্বাধীনভাবে লেখালেখি ও মত প্রকাশ না করতে পারে।

বিচারক আরও বলেন, অভিজিৎ রায় হত্যায় অংশ গ্রহণকারী অভিযুক্ত আসামিরা বেঁচে থাকলে আনসার আল ইসলামের বিচারের বাহিরে থাকা সদস্যরা একই অপরাধ করতে উৎসাহী হবে এবং বিজ্ঞান মনস্ক ও মুক্তমনা লেখকরা স্বাধীনভাবে লিখতে এবং মতামত প্রকাশ করতে সাহস পাবে না। কাজেই এ আসামিরা কোনো সহানুভূতি পেতে পারে না। আসামিদের সাজা দিলে অন্যরা ভবিষ্যতে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করতে ভয় পাবে এবং নিরুসাহিত হবে।

বিজ্ঞাপন

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন— আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান সাবেক মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল (সাংগঠনিক নাম সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আরাফাত রহমান (সাংগঠনিক নাম সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ ওরফে শামস) ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আব্দুল্লাহ।

 

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/এএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button