আন্তর্জাতিক

‘মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের ব্যাপারে কঠোর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালে সেনাবাহিনীকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত। খবর বিবিসি।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিনা শানার বার্জেনার টেলিফোনে সামরিক জান্তার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতাকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন বলে জাতিসংঘ সূত্র জানিয়েছে।

জাতিসংঘের সদর দফতরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, মিয়ানমারে নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারকে যেনো যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং গণতন্ত্রপন্থিরা যেনো কোনোভাবেই সেনাবাহিনীর প্রতিহিংসার শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে চাপ দেন জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি শানার বার্জেনার।

বিজ্ঞাপন

সেনাবাহিনীর উদ্দেশে শানার বার্জেনার বলেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বিশ্ব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সেনাবাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখালে তার পরিণতি হবে করুণ। পাশাপাশি ইন্টারনেট বন্ধ রাখা নিয়েও জান্তাদের সতর্ক করেছেন বার্জেনার।

এর আগে, রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে মিয়ানমারের প্রধান শহরগুলোতে সাঁজোয়া যান নামিয়ে সেনা মোতায়েন করা হয়। তা সত্ত্বেও সেনা অভ্যুত্থানের নিন্দা জানাতে ও কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চিসহ অন্যান্যদের মুক্তির দাবিতে গণতন্ত্রপন্থিরা সোমবার ফের বিক্ষোভ দেখান। তবে, বিক্ষোভের দশম দিনে এসে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে মিয়ানমার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সামরিক কর্তৃপক্ষের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি সোয়ে উইন জাতিসংঘের দূতের সঙ্গে প্রশাসনের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন এবং তাকে মিয়ানমারের যা ঘটছে সেই সত্যিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের মতো ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয় মিয়ানমারের সেনা কর্তৃপক্ষ। এতে অভ্যুত্থানবিরোধীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে যায়। সেনাবাহিনী তল্লাশি ও আটক করার ক্ষমতার আইনি সীমাবদ্ধতাগুলো স্থগিত করার পর রাতে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার গ্রুপ বলেছে, নির্বিচারে গ্রেফতারসহ অপতৎপরতা চালানোর জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ১৫ দিনে ৪২৬ বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

সারাবাংলা/একেএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button