স্বাস্থ্য

‘ভ্যাকসিন দেওয়ার পাশাপাশি মাস্কও পরতে হবে’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ইউজিসি অধ্যাপক ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘ভ্যাকসিন দেওয়ার পাশাপাশি মাস্কও পরতে হবে। দেশে করোনার সংক্রমণ কমে এলেও আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই।’

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ‘করোনা সংক্রমণের গতিবিধি ও টিকা’ শীর্ষক বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) সংলাপ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আইইডিসিআর’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর। বিএইচআরএফের সভাপতি তৌফিক মারুফের সঞ্চালনায় সংলাপ অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ রাব্বি ।

বিজ্ঞাপন

সংলাপে অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, “সংক্রমণ কম স্বস্তির বিষয় হলেও আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই। মৃত্যুর মিছিল ওঠানামা করছে। এখন অনেকেই আমাদের দেশে আসবে। ভাইরাস যাতে আমদানি না হয় সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। ভ্যাকসিন দেওয়ার পাশাপাশি মাস্কও পরতে হবে। দু’টি মাস্ক পরলে তা আরও বেশি কার্যকর বলে জানা যাচ্ছে।”

সংলাপে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘সংক্রমণ কমলেও ঝুঁকিমুক্ত হইনি, ভবিষ্যতে ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক, সামাজিকসহ বিভিন্ন জনসমাবেশ হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করতে পারছি না। তাই এসব জনসমাবেশ বন্ধ করতে, ভবিষ্যতে সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে নিরাপদ থাকতে সরকারকে এসব বিষয়ে জোর দিতে হবে, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠনগুলোকে চাপ দিতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

জনগোষ্ঠীর এক শতাংশ ভ্যাকসিনের আওতায়— ১৫টি দেশের একটি বাংলাদেশ

 

বিজ্ঞাপন

ডা. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘সংক্রমণ কমানো এবং টিকা কার্যক্রম সফল করতে সমাজপতি থেকে শুরু করে ধর্মীয় নেতাসহ সবাইকে সম্পৃক্ত করতে হবে। টিকাদান কর্মসূচিতে নারী, বস্তি এলাকা, ভাসমান মানুষ এবং নিম্নবিত্তরা পিছিয়ে রয়েছে। তাদের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে।’

অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা বলেন, ‘দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর আগেই সিকোয়েন্সিংয়ের মেশিন ছিল। কিন্তু এই কাজে সফলতা দেখাতে পারিনি। কিন্তু করোনাকালে সবাই মিলে যখন কাজটি শুরু করি তখন বড় একটি কাজ হলো। এ বিষয়ে আমাদের আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, দেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কর্মসূচি শুরু হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্যাকসিন নিয়েছেন ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৩ জন, যা কিনা বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর এক শতাংশের চেয়েও কিছুটা বেশি।

সারাবাংলা/এসবি/এমও


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button