আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় ৫ লাখ প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কোভিড-১৯ (নভেল করোনাভাইরাস) মহামারি শুরু হওয়ার মাত্র ১৪ মাসের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রে মোট প্রাণহানি পাঁচ লাখ ছাড়িয়েছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশই করোনায় মৃত্যুর এই দুঃখজনক মাইলফলক পার করে। সূত্র: ওয়ার্ল্ডোমিটার্স ডট ইনফো।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচ লাখ ১২ হাজার ৫৯০ জনের। একই সময়ে দেশটিতে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৮৮ লাখ ২৬ হাজার ৩০৭ জন।

এর আগে, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান্তা ক্লারা কাউন্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

এদিকে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে করোনায় মৃতদের প্রতি সম্মান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। একইসঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সূর্যাস্ত পর্যন্ত অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, তিনি এই দুঃখজনক অধ্যায়ে মৃতদের এবং পেছনে ফেলে যাওয়া তাদের প্রিয়জনদের কথা ভাবছেন। আমেরিকানরা জাতি হিসেবে তাদের স্মরণ করবে এবং এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পেতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করবে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও, মহামারিতে মারা যাওয়া পাঁচ লাখ মানুষের সম্মানে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের ৫০০ বার ঘণ্টা বাজানো হয়। এরপর হোয়াইট হাউজে দেওয়া এক গুরুগম্ভীর বক্তৃতায় বাইডেন বলেন, গণমৃত্যু স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যেক মৃত ব্যক্তিকে স্মরণ করছে।

সেই ছেলে যে প্রতি রাতে ফোন করে তার মায়ের খোঁজ নিত। সেই বাবা, কন্যা যার দুনিয়াকে উদ্ভাসিত করেছিল। সেই প্রিয় বন্ধু যে সবসময় পাশে ছিল। সেই নার্স যিনি তার রোগীদের বাঁচাতে চেয়েছিলেন, তাদের সবার স্মৃতি স্মরণ করে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন জো বাইডেন।

বিজ্ঞাপন

এর কয়েক মূহুর্ত পর বাইডেন ও তার স্ত্রী, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও তার স্বামী কালো পোশাক ও কালো মাস্ক পরে উপস্থিত হন। তারা নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন আর তখন বন্দনা সংগীত ‘অ্যামেইজিং গ্রেস’ বাজানো হয়।

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার চার শতাংশ নিয়ে করোনাভাইরাস মহামারিতে মোট মৃত্যুর প্রায় ১৯ শতাংশ দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘটনাকে ১০০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিগত স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি বলে অভিহিত করেছেন দেশটির শীর্ষ সংক্রামক বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি।

বিজ্ঞাপন

সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এই স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, কয়েক দশক পর লোকজন বলবে ২০২০ সেই ভয়ানক বছর, হয়তো ২০২১ ও সেই তালিকায় থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই মৃত্যুর সংখ্যায় ডেমোক্রেট-রিপাবলিকান রাজনৈতিক বিভাজনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সারাবাংলা/একেএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button