আইন-বিচার

৪৮ হাজার শিক্ষকের টাইমস্কেল ফেরতের রায় রোববার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বেসরকারি থেকে সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার শিক্ষকের টাইমস্কেল ফেরত সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম. মোকছেদুল ইসলাম ও আইনজীবী আরিফুল ইসলাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

বিজ্ঞাপন

আদেশের বিষয়টি সারাবাংলাকে নিশ্চিত করে আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেল ফেরত সংক্রান্ত বিষয়ে রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি বেসরকারি থেকে সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ‘টাইম স্কেল’এর সুবিধা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র নিয়ে এ রিট মামলাটি তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের ১২ আগস্ট বেসরকারি থেকে সরকারি হওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘টাইম স্কেল’ এর সুবিধা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংক্ষুব্ধ শিক্ষকরা রিট করেন। তখন হাইকোর্ট বিভাগ পরিপত্র স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। ১৩ সেপ্টেম্বর চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। পরে স্থগিতাদেশ তুলে দিতে শিক্ষকরা আপিল বিভাগে আবেদন করে। আপিল বিভাগ তিন সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলাটি নিষ্পত্তি করতে বলেছেন।

গত বছরের ১২ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় একটি আদেশ জারি করে। ওই আদেশের মাধ্যমে ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের ক্ষেত্রে টাইম স্কেল বাতিল করে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির পক্ষে এ রিট দায়ের করেন।

গত বছরের ৩১ আগস্ট ওই রিটের শুনানি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আদেশটি ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এরপর হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়সহ মামলার সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের পাঠানো হয়। কিন্তু এরপরও গত ২৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে পুনরায় অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের ক্ষেত্রে টাইম স্কেল বাতিল করে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত নেওয়ার জন্য হিসাব মহানিয়ন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় রিট মামলাটি আপিল বিভাগে গেলে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রিট মামলাটি নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন।

সারাবাংলা/কেআইএফ/এসএসএ


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button