খেলা

বল একটু ঘুরলেই এতো কান্নাকাটি কেনো, লায়নের প্রশ্ন

স্পোর্টস ডেস্ক

ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যকার আহমেদাবাদ টেস্টের উইকেট নিয়ে বিতর্ক চলছে কদিন ধরেই। উইকেট এতোটাই স্পিনবান্ধব ছিল যে ম্যাচ শেষ হয়েছে মাত্র দেড় দিনেই, নির্দিষ্ট করে বললে মাত্র ১৩৮ ওভারেই। দেড় দিনে পতন হয়েছে দু’দলের ত্রিশ উইকেট। উইকেটে ধুলো উড়ছিল ম্যাচের প্রথম ঘণ্টা থেকেই। প্রথম ঘণ্টা থেকেই টার্ন আর বাউন্স পাচ্ছিলেন স্পিনাররা। সময় গড়ার সঙ্গে স্পিনারদের লেগ স্ট্যাম্পে পিচ করা ডেলিভারি টার্ন করছিল কল্পিত পঞ্চম স্ট্যাম্পে। উইকেটে টিকে থাকা ব্যাটিং সমর্থের ওপর না যতোটা তার চেয়ে বেশি নির্ভর করছিল যেন ভাগ্যের ওপর!

বিজ্ঞাপন

স্বাগতিক দল স্বাভাবিকভাবে নিজের পছন্দ মতো উইকেট গড়ে থাকে। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড যেহেতু স্পিনে দুর্বল তাই ভারত স্পিনিং উইকেটই বানিয়েছিল আহমেদাবাদে। কিন্তু তাই বলে এতোটা স্পিনবান্ধব! প্রশ্নটা উঠছে সেই কারণেই। তবে এসব সমালোচনা মোটেও সহ্য হচ্ছে না অস্ট্রেলিয়ার তারকা স্পিনার নাথান লায়নের।

বল একটু ঘুরলেই এতো কান্নাকাটি কেনো, লায়নের প্রশ্ন

বিজ্ঞাপন

উইকেট যখন পেসবান্ধব হয়, পেস তোপে অল্পতেই গুটিয়ে যায় কোনো দল তখন সমালোচনা উঠে না। কিন্তু বল একটু বেশি ঘুরলেই উইকেট নিয়ে কেন এতো সমালোচনা প্রশ্ন অজি তারকার।

বার্তা সংস্থা এএপিকে ১০০ টেস্টে ৩৯৯ উইকেট নেওয়া লায়ন বলেছেন, ‘এটা (আহমেদাবাদের পিচ) ছিল দুর্দান্ত। আমি ভাবছি ওই কিউরেটরকে এসসিজিতে (সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড) আনা যায় কিনা! আমরা এমন সব পেস বান্ধব উইকেটে খেলি যেখানে ৪৭, ৬০ রানে গুটিয়ে যাই। কেউ তখন কিছু বলে না। কিন্তু যখনই স্পিনিং উইকেট থাকে সবাই কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। কিছুতেই এটা আমার মাথায় ঢুকে না।’

বিজ্ঞাপন

স্পিনবান্ধন উইকেটই টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আনন্দদায়ক বলছেন লায়ন, ‘আমি এই আলোচনার অর্থই বুঝি না। আমি এমন উইকেটের পক্ষে আছি। এটা দারুণ আনন্দদায়ক। এই ম্যাচ দেখার জন্য রাত জেগেছি আমি।’

উল্লেখ্য, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মাত্র দেড় দিনেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button