অর্থ-বাণিজ্য

সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি বাড়ানো হচ্ছে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: চলতি মৌসুমে সংকট সামাল দিতে এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ মাস থেকেই বর্তমান ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটের সঙ্গে যোগ হচ্ছে আরও ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট । এরই মধ্যে বাড়তি এই জ্বালানি কেনার অনুমোদন পেয়েছে সংশ্লিষ্ট সরবরাহ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন সেচ, গ্রীষ্ম মৌসুম মিলিয়ে এখন থেকে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। সে চাহিদা পূরণ করতেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, আসছে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাবে। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করার চাহিদা দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। বর্তমানে এই চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা যাচ্ছে দৈনিক ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গ্রীষ্মকালীন মৌসুম শুরুর আগেই আরো সাড়ে ৭শ’ মিলিয়ন ঘনফুট সংস্থানের চাপ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এলএনজিতে বাড়তি ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট আসলে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাবে। বাকি ৪৫০ কিভাবে আসবে তা এখনও চিন্তা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গ্রীষ্মের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্যে ফার্নেস অয়েলে ৪৫৭০ মেগাওয়াট, কয়লা ব্যবহার করে সাড়ে ৭শ’ মেগাওয়াট, জল ও সৌর বিদ্যুৎ থেকে ৫০ মেগাওয়াট আর আমদানি করা হবে ১০৫০ মেগাওয়াট। গ্যাস থেকে পাওয়া যাবে ৭ হাজার ৬৫০ মেগাওয়াট। তবে কোনো কারণে বাড়তি গ্যাস না পাওয়া গেলে তরল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়বে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরপিজিসিএলের কর্মকর্তারা জানান, চলতি সেচ ও আসছে গ্রীষ্মকালীন মৌসুম এবং রমজান পরিস্থিতিতে এলএনজি আমদানি বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

সূত্রে জানা গেছে, দেশে এখন দুটি এলএনজি টার্মিনাল দিয়ে প্রতিদিন এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমদানি করা হয়। এজন্য পাইপলাইন নির্মাণ করা হলেও একটি টার্মিনাল দিয়েই গ্যাস আমদানি করা হয়, আরেকটি বন্ধ থাকে।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, চলতি মাস থেকে গ্যাস, বিদ্যুতের যে সংকট দেখা দেবে তা সামাল দিতে জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা এবং আরপিজিসিএল কোম্পানি কাজ করছে। এসময়ে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কী পরিমাণ গ্যাস প্রয়োজন হবে তার চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছে। এখন সে চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করছে আরপিজিসিএল।

তবে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাবেদ চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/এসএসএ


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button