রাজধানী

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর খিলক্ষেত ৩০০ফিট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আশিক আব্দুল্লাহ হেলাল (৪২) ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় প্রসেনজিৎ (২৫) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে খিলক্ষেত ও রাত সাড়ে তিনটার দিকে এই পৃথক দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

খিলক্ষেত থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামিমুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, মৃত হেলাল বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার মাইকখোলা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। সে খিলক্ষেত ৩০০ফিট বোয়ালিয়া ব্রিজের পাশে ৭১সিকিউরিটি কোম্পানির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিল।

বিজ্ঞাপন

এসআই আরও জানায়, ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ৩০০ফিট পুলিশ হাউজিংয়ের দক্ষিণ পাশে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে সিকিউরিটি কোম্পানির দারোয়ানের সঙ্গে কথা বলছিল সে। এমন সময় একটি অজ্ঞাত ট্রাক মোটরসাইকেলসহ হেলালকে চাপা দেয়। এতে তার গলা থেকে মাথা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে যাত্রাবাড়ী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অভিজিৎ পোদ্দার জানান, মৃত প্রসেনজিৎ পোস্তগোলা ব্রিজে টোল আদায়ের কাজ করতো। গত রাতে মাওয়া থেকে ঢাকাগামী একটি বড় লড়ির টোল আদায়ের জন্য লড়ির ড্রাইভারের গেটে ঝুলে ছিল সে। হঠাৎ টোলের টাকা নিয়ে ড্রাইভারের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এমন সময় ড্রাইভার লড়িটি চালাতে শুরু করে। তখন লড়ির দরজায় ঝুলছিল প্রসেনজিৎ। পরে গাড়ি যাত্রাবাড়ী মাছ বাজার এলাকায় গেলে সেখানে আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে চলন্ত গাড়ি থেকে সে রাস্তায় পড়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ভোর চারটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞাপন

প্রসেনজিতের সহকর্মী আরমান উল্লাহ জানান, সে কেরানীগঞ্জ পশ্চিমদি বড় পাড়া এলাকায় থাকতো। তার বাবা মৃত প্রদীপ দাস। প্রায় এক বছর ধরে সে টোল আদায়ের কাজ করছিল।

আরমান বলেন, ‘এটি সড়ক দুর্ঘটনা না, এটি হত্যাকাণ্ড। প্রসেনজিতকে ইচ্ছা করে ওই লড়ি চালক মেরে ফেলেছে।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা /এসএসআর/পিটিএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button