বিনোদন

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অলির ‘এক মুজিব’

আহমেদ জামান শিমুল

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে হয়তো বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। জাতির পিতাকে নিয়ে এ প্রজন্মের রয়েছে আলাদা উন্মাদনা, ভালোবাসা। সে ভালোবাসা থেকে এ প্রজন্মের জনপ্রিয় গীতিকার সোমেশ্বর অলি লিখেছেন ‘এক মুজিব’।

বিজ্ঞাপন

পিন্টু ঘোষের সুরে ‘এক মুজিব’ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন পিন্টু ঘোষ, মুত্তাকী হাসিব, সুকণ্যা মজুমদার ঘোষ ও বাসমা কাজী। সঙ্গীত আয়োজন করেছেন পিন্টু ঘোষ ও রোকন ইমন।

‘অমলিন সেই ছবির দিকে চেয়ে মনে হয়/ একটি মানুষ মাটি ও মানুষের কথা কয়/ মনে পড়ে তাকে, তার মায়া মমতা/ জেগে আছে তর্জনী, হৃদয়ে তাঁর কথা/ তাঁর স্বপ্ন চোখে চোখে আরো স্বপ্নময়/ হাজার বছরে একবারই আসে এক মুজিব/ জনতায় আছে নির্জনতায় আছে শেখ মুজিব/ হাজার বছরে একবারই আসে এক মুজিব/ ভাবনায় আছে নির্ভাবনায় আছে শেখ মুজিব’—এমন কথার গানটি ব্যবহৃত হয়েছে ‘স্ফুলিঙ্গ’-এ। ছবিটিতে একটি কনসার্টে দলীয় সঙ্গীত হিসেবে গানটি ব্যবহৃত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তৌকির আহমেদ পরিচালিত ছবিটির প্রধান অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, পরীমণি, রওনক হাসান ও জাকিয়া বারি মম।

বিজ্ঞাপন

এক মুজিব নামে গানের ভাবনা কীভাবে এলো?

“অন্য একটি নাটকের গান নিয়ে কথা হচ্ছিলো পিন্টু ঘোষ দাদার সঙ্গে। কথায় কথায় ‘স্ফুলিঙ্গ’র প্রসঙ্গ আসে। তিনি ছবিটির সংগীত পরিচালক। দাদা বলেছিলেন ছবিটিতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি বিশেষ গান ব্যবহার করা হবে, লিরিক দরকার। আমি লেখার চ্যালেঞ্জ নিলাম। কারণ আমার মাথায় দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বেশ কিছু লাইন ঘুরছিলো। এরপর দুই ধরনের কোরাস পার্ট রেখে একটি লিরিক আমি দাদাকে পাঠাই। দাদা জানালেন, ছবির পরিচালক (তৌকীর আহমেদ) এটি খুবই পছন্দ করেছেন। এভাবেই লেখা হলো এক মুজিব”—বলেন অলি।

বিজ্ঞাপন

এ গান এ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুকে পৌঁছাতে কতটুকু সহায়তা করবে?

অলি বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনেক ধরনের গান তৈরি হয়েছে। কিছু গান কালও জয় করেছে। আমাদের ‘এক মুজিব’ সম্পূর্ণভাবেই এই সময়ের গান। এর কথা, সুর ও সংগীতায়োজন ও উপস্থাপনায় ব্যান্ড ঘরানাকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি তরুণ প্রজন্মের কাছে এক ধরনের উন্মাদনা তৈরি করবে এবং এর বার্তাটি সবার ভালো লাগবে বলে বিশ্বাস করি।”

বিজ্ঞাপন

আগামী ১৭ মার্চ বিশেষ প্রদর্শনী হবে ‘স্ফুলিঙ্গ’-এর। এরপর ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‌ছবিটি। প্রযোজনা করেছে স্বপ্নের বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন।

সারাবাংলা/এজেডএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button