রাজধানী

মেয়রের নির্দেশে ময়লা ফেলা হলো আবাসিক ভবনের সামনেই

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মিরপুর-৩ নম্বর সেকশনে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের সামনের রাস্তায় যত্রতত্র পড়ে ছিল গৃহস্থালির ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য। এমন দৃশ্য দেখে রাগান্বিত হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

সরকারি আবাসিক ভবনের সামনের এমন দৃশ্য দেখে সঙ্গে সঙ্গে ডিএনসিসির বর্জ্য অপসারণ বিভাগের কর্মকর্তাদের- ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা ময়লা গুলো একত্র করে ভবনের সামনে নিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেন মেয়র আতিক। মেয়রের এমন নির্দেশে ওই বর্জ্যগুলো সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের ফটকের সামনে রাখে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

সোমবার (৮ মার্চ) সকাল থেকে কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির অঞ্চল ভিত্তিক সমন্বিত অভিযান (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) শুরু হয়। অভিযানে মেয়র আতিকুল ইসলাম সাগুফতা খাল এলাকা পরিদর্শনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর মিরপুর-৩ নম্বর সেকশনের এই পথ পরিদর্শনের সময় গৃহস্থালির বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখে তিনি এ নির্দেশনা দেন। এ সময় তার নির্দেশনা মতেই ময়লার বিশেষ গাড়ির মাধ্যমে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা ময়লাগুলো একত্র করে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবনের সামনে ফেলা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ সময় মেয়র আতিকুল ইসলাম উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই বর্জ্য রাস্তায় ফেলছেন। এতে নগরের পরিবেশ নোংরা হচ্ছে। এভাবে আর চলতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, এই আবাসনে ৬০০টির বেশি পরিবার বাস করে। কিন্তু সরকারের যে সংস্থা এই আবাসন করেছে, তারা বর্জ্য রাখার জন্য কোনো জায়গায় রাখেনি। এখন তারা জায়গা দিলে এসটিএস নির্মাণ করে দেবে ডিএনসিসি। তারপরও এই শহর নোংরা করতে দেওয়া হবে না।

বিজ্ঞাপন

মেয়র বলেন, আজ (৮ মার্চ) থেকে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত শুক্রবার ব্যতীত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় কিউলেক্স মশা নিধনে সমন্বিত অভিযান (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) শুরু হয়েছে। এই ক্র্যাশ প্রোগ্রামে ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের সকল মশক নিধন কর্মী এবং যান-যন্ত্রপাতি ১টি অঞ্চলে নিয়ে ১দিন করে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এডাল্টিসাইডিং করা হবে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চলবে। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/এনএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button