বিনোদন

‘মিঠুন বরাবরই সুবিধাবাদী’, কটাক্ষ চিরঞ্জিতের

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক

একাধিকবার দল বদলে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলের অনেকেরই বিরাগভাজন হয়েছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। প্রশ্ন উঠেছে তার রাজনৈতিক আদর্শগত স্থিরতা নিয়েও! বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর মহাগুরুকে নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শাসক দল তৃনমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীও। এবার সেই প্রেক্ষিতেই একদা একই দলের সতীর্থ তথা ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মী অভিনেতা চিরঞ্জিৎ কটাক্ষ করলেন মিঠুন চক্রবর্তীকে। বললেন, ‘উনি সুবিধে নেওয়া লোক, সুরক্ষা পেতেই বিজেপিতে গিয়েছেন’।

বিজ্ঞাপন

অভিনেতা চিরঞ্জিৎ-এর কথায়, শুনেছি, মিঠুনের ছেলের নামে কেস রয়েছে। ওর নামেও সিবিআইয়ে মামলা ছিল। সবমিলিয়ে হয়তো কোনও বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে। উনি সুবিধে নেওয়া লোক। প্রকৃত অর্থে পার্টি মেম্বার নন। তাই কোনও সুরক্ষা পাওয়ার জন্যই হয়তো বিজেপিতে গিয়েছেন। এছাড়া তৃণমূলে যে সম্মানটা হারিয়েছেন, তা তো এখানে ফিরে পাবেন না। সেই খাতিরটা এখন আর সিপিএমও করবে না। তাহলে আর কোন পার্টিতে যাবেন? যেখানে একটু খাতির পাবেন! সেই জায়গা থেকেই মিঠুন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে অভিমত চিরঞ্জিতের।

‘মিঠুন বরাবরই সুবিধাবাদী’, কটাক্ষ চিরঞ্জিতের

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, ‘মারব এখানে, লাশ পড়বে শ্মশানে’ বা ‘আমি জাত গোখরো, এক ছোবলেই ছবি’- এমন গরমাগরম সংলাপ দিয়েই রবিবার মোদীর ব্রিগেড মাতিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একদা বামঘনিষ্ঠ অভিনেতা পরিবর্তনের সরকারে যিনি কিনা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন, সেই তিনিই এবার বাম থেকে ঘাসফুল শিবির হয়ে গেরুয়া মন্ত্রে দীক্ষিত হলেন! একুশের ভোটে বিজেপির বাংলা দখলের লড়াইয়ে মিঠুন চক্রবর্তী যে অন্যতম মূল অস্ত্র হতে চলেছেন।

তবে মিঠুন চক্রবর্তীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া নেটদুনিয়ায়। নেটজনতার একাংশ যখন মহাগুরুর সংলাপে মেতেছেন, অনেকে আবার কটাক্ষও করছেন। অতঃপর গত কয়েক দশক ধরে বাঙালির মনে মিঠুন নামক যে আবেগ ছিল, তার অনেকটাই যে নড়ে গিয়েছে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তা বোধহয় আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। সমালোচকরা বলছেন, “বাম থেকে গেরুয়া-যোগ, ভায়া ঘাসফুল! নানা রঙের মিঠুন রাজনীতিরও ‘মহাগুরু’।” সেই প্রেক্ষিতেই এবার তৃণমূলের একনিষ্ঠ সদস্য অভিনেতা চিরঞ্জিৎ-ও বিঁধলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া ডিস্কো ডান্সারকে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসবিডিই


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button