রাজধানী

মশা নিধন কার্যক্রম মনিটরিং বড় চ্যালেঞ্জ: মেয়র আতিক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মশা নিধন কার্যক্রম মনিটরিং করাটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য রমজানের পরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মশক নিধন কর্মীদের হাজিরা নিশ্চিত করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় গুলশান এলাকায় চলমান মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় আধুনিক ইন্টারনেট অব থিং (আইওটি) এর মতো তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মেয়র।

কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত সোমবার শুরু হওয়া ডিএনসিসির অঞ্চলভিত্তিক সমন্বিত অভিযান (ক্রাশ প্রোগ্রাম) বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনে অব্যাহত ছিল। এদিন মহাখালী অঞ্চলে (অঞ্চল-৩) এ অভিযান পরিচালিত হয়। গুদারাঘাট এলাকা পরিদর্শন শেষে মেয়র বনানী ১ নম্বর রোডে ন্যাম ভিলেজের পিছনে চেয়ারম্যান বাড়ি লেক পরিদর্শন করেন।

বিজ্ঞাপন

গুদারাঘাটে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘লেকের কিনারে মশা ডিম পাড়ে। আজ আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি লেকের কিনারে যাতে লার্ভিসাইড করা হয়। পানির প্রবাহ ঠিক থাকলে সে পানিতে লার্ভা জন্ম হয় না। গুলশান, বারিধারা, বনানী লেকে আগে প্রচুর কচুরিপানা ছিল। এগুলো আমরা পরিষ্কার করেছি। এই লেকগুলো সিটি করপোরেশনকে দিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা বলেছি। এগুলো আমাদের দিলে এগুলোর দেখ-ভাল আমরা করতে পারি। লেকগুলোকে কচুরিপানামুক্ত দৃষ্টিনন্দন কিন্তু আমরাই করেছি। এখানে আবর্জনার পাহাড় ছিল।’

গুদারাঘাটে মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র দেখতে পান যে, ফুটপাত দখল করে দুইটি হোটেল ব্যবসা করছে। ফুটপাত থেকে এসকল অবৈধ স্থাপনা তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করার নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মেয়র আতিকুল ইসলাম বিকাল ৫টায় গুলশান ৫৫ নম্বর সড়কে মশক নিধন অভিযান পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘১ হাজার ২০০ মশক নিধনকর্মী ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা করছে সেটি মনিটরিং করতে হবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে মশক কর্মীদের ট্রেনিং দিতে হবে। যাতে তারা কাজটি ভালো ও কার্যকরভাবে করতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এই শহরটা ঠিক করার জন্য আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। সবাই যদি একটু একটু করে কাজ করি তবেই আমরা মশক থেকে অনেকাংশে নিস্তার পাব।’

ডিএনসিসির অভিযান আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবারের অভিযানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়েদুর রহমান, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুম গনি তাপস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/পিটিএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button