খেলা

এনসিএলে চ্যালেঞ্জিং উইকেট চান নান্নু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ব্যাটিং বান্ধব কিংবা পাটা উইকেট নয়, জাতীয় ক্রিকেট লিগের এবারের আসরে ‘ট্রু উইকেট’ চাইছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক মন্ডলী। যেখানে শুধু ব্যাটসম্যানরাই নয় বোলাররাও দাপট দেখাবে।

বিজ্ঞাপন

এদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় নতুন কোন বিষয় নয়। বিশেষ করে লংগার ভার্সন। হবেই বা না কেন বলুন? জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের প্রতিটি আসরেই দেশের ভেন্যুগুলোতে ব্যাটিং বান্ধব উইকেটে দেখা যায়। ব্যাটসম্যানরাই যেখানে প্রাধান্য বিস্তার করেন, পাটা উইকেটে গড়েন রানের পাহাড়। পক্ষান্তরে বোলাররা হয়ে পড়েন কোণঠাসা, প্রতিভার নুন্যতম বিকাশও তারা এখানে ঘটাতে পারেন না। বিগত বছরগুলোতে ঠিক এমনই ছিল দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের চিত্র।

তবে এবার এর ব্যতিক্রম চাইছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্বাচক মন্ডলীর প্রধান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। আসন্ন এনসিএলে তারা চাইছেন চ্যালেঞ্জিং উইকেট। যেখানে বোলার এবং ব্যাটসম্যানরা উভয়েই একই অপরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন। আর মাঠের খেলায় সেটা তারা করতে পারলে নির্বাচকমণ্ডলীর ও জাতীয় দল নির্বাচনের কাজ সহজ হয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) মিরপুর শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মিনহাজুল আবেদীন বলেন, ‘যেহেতু এক বছর কোনো ঘরোয়া ক্রিকেট হয়নি, সব মাঠেই কিন্তু নতুন করে খেলা শুরু হচ্ছে। সেই হিসেবে আমরা অবশ্যই ভালো উইকেট চাচ্ছি। আশা করছি যে ভালো উইকেট পাব। এটাই প্রত্যাশা করছি এনসিএলের চারটি ভেন্যু থেকে। আশা করছি অন্তত দুটো ভেন্যুতে দুই রকমের খেলা হবে। যেন একটা দল দুই ভেন্যুতে দুই রকম উইকেট পায়। সবাই যেন সব ধরনের উইকেটে অভ্যস্ত হয়। যেহেতু উইকেট গুলো একদম ফ্রেশ পাচ্ছি, এক বছর খেলা হয়নি। আশা করছি চ্যালেঞ্জিং উইকেটই পাব।

বিজ্ঞাপন

সব ঠিক থাকলে করণা মহামারীর এক বছর বিরতির পরে চলতি মাসের ২২ তারিখ থেকে দেশের আট বিভাগের অংশগ্রহণে শুরু হতে পারে এনসিএল। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই দল গঠন শেষ হয়েছে। যেখানে প্রতি দলে ১৮ জন করে প্লেয়ার রাখা হয়েছে। এখন অপেক্ষা কেবল করোনা টিকার। সেটা শেষ হলেই টুর্নামেন্ট মাঠে পড়াতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএইচএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button