আন্তর্জাতিক

সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ আরাকান আর্মি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) নাম সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে জান্তা প্রশাসন। খবর রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে জানিয়েছে, হামলা বন্ধ এবং দেশজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে রাজি হয়েছে আরাকান আর্মি, তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সামরিক সরকার।

এদিকে, ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সৃষ্টি হওয়া বিক্ষোভ সামাল দিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে প্রায় প্রতিদিনই সংগ্রাম করতে হচ্ছে, এর মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিলো জান্তা প্রশাসন।

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যের বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের জন্য লড়াই করছে। দুই বছরে তারা মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সমীহ জাগানো নাম হয়ে উঠেছে। দেশটির সেনাবাহিনী ৭০ বছর ধরে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর বিদ্রোহী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে।

এর আগের বছর, সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) সরকার আরাকান আর্মিকে সন্ত্রাসী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে মিয়ানমারের সরকার পরিচালিত মিরর ডেইলি লিখেছে, আরকান আর্মিকে ২০২১ সালের ১১ মার্চ থেকে সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আরাকান আর্মি ২০২০ সালের নভেম্বরে সাময়িক অস্ত্রবিরতি করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল। সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ পড়ার ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য অনুরোধ করা হলেও ওই গ্রুপের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

মিয়ানমারের ২৪ নৃ-গোষ্ঠী সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা করেছে। তাদের কেউ কেউ অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থনও দেখিয়েছি। তবে, বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর কোনোটিই অস্ত্রবিরতি চুক্তি বাতিল করে ফের সামরিক তৎপরতা শুরুর মতো উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

আরাকান আর্মিও জান্তাবিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। রাখাইন রাজ্যে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভও তেমন একটা দেখা যায়নি। আরাকান আর্মির অধিকাংশ সদস্যই রাখাইন নৃগোষ্ঠী ও স্থানীয় সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button