আইন-বিচার

কার্টুনিস্ট কিশোরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৫ এপ্রিল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন।

কাটুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদকে অভিযুক্ত করে গত ১৩ জানুয়ারি এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করে রমনা থানা পুলিশ। চার্জশিটে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন এই মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে লেখক মুশতাক গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে কারাগারে মারা যান। দিদারুল ও কিশোর জামিনে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

চার্জশিটে অব্যাহতিপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান, নেত্র নিউজের তাসনীম খলিল, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিক সাহেদ আলম, জার্মানিতে থাকা ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, জুলকারনাইন সায়ের খান, আশিক ইমরান, স্বপন ওয়াহিদ ও ফিলিপ শসমাখার।

জানা গেছে, কার্টুনিস্ট কিশোর তার ‘আমি কিশোর’ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনামূলক কার্টুন-পোস্টার পোস্ট করতেন। মুশতাক তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিশোরের সেসব পোস্টের কয়েকটি শেয়ার করতেন। এছাড়া আসামিরা ‘আই এম বাংলাদেশি’ নামে ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশে অপপ্রচার বা গুজবসহ বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিয়েছে। যা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে তাসনিম খলিল, শায়ের জুলকারনাইন, শাহেদ আলম, আসিফ মহিউদ্দিনের সঙ্গে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

সারাবাংলা/এআই/এমও


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button