রাজধানী

পিতার জন্মদিনে আলো ঝলমলে রাজধানী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আর কেউ নন, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই তার জন্মবার্ষিকী সামনে রেখে আলো ঝলমলে হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা। রাষ্ট্রীয়ভাবে যেমন আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে এই দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে, একইসঙ্গে সেই উৎসবে সামিল বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও। আর তাই জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর আগের দিন সন্ধ্যা থেকেই বর্ণিল আলোয় আলোকিত রাজধানী।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৭ মার্চ) জাতির পিতার ১০১তম জন্মবার্ষিকী সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর বড় বড় সব ভবনেই আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই ঝলমলে এসব ভবন।

পিতার জন্মদিনে আলো ঝলমলে রাজধানী

বিজ্ঞাপন

রাজধানী ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি প্রতিটি ভবনকেই অপরূপ সাজে সাজিয়ে রঙিন আলোয় রাঙিয়ে তোলা হয়েছে। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের প্রতিটি ভবন সেজেছে লাল-সবুজের আলোয়। একইভাবে সাজানো হয়েছে ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান, পুলিশ সদর দফতরসহ সব সরকারি দফতর।

বেসরকারি ভবনগুলোতেও দেখা গেছে চোখধাঁধানো আলোকচ্ছ্বটা। সেইসঙ্গে সড়কগুলোকেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে নতুন রূপে। মূল সড়কের দুই পাশে লাল-সবুজের আলোর দৃশ্য দেখতে পথচলতি মানুষটিও একপলকের জন্য থমকে দাঁড়াচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

পিতার জন্মদিনে আলো ঝলমলে রাজধানী

সবমিলিয়ে যেন পুরো রাজধানীই এক অনিন্দ্য উৎসবের মুখে দাঁড়িয়ে উচ্ছ্বল-প্রাণবন্ত। আর সেই প্রাণোচ্ছলতাকে স্মৃতির পাতায় ধরে রাখতে যে যার মতো করে স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ করতে নেমেছেন রাজধানীর পথে।

বিজ্ঞাপন

জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীর এই দিনটি ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রয়েছে নানা আয়োজন। করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের পরিকল্পনার মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান অনেকটাই কাটছাঁট করতে হয়েছিল। এবার জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হবে ১০ দিনের বর্ণিল আয়োজন।

পিতার জন্মদিনে আলো ঝলমলে রাজধানী

বিজ্ঞাপন

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘মুজিব চিরন্তন’ শীর্ষক এই আয়োজনের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ্। পরে আরও চার দিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন চার দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান।

এদিকে, জাতির পিতার শিশু বাৎসল্যের কারণে ১৯৯৭ সাল থেকে দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপন করছে জাতি। দেশব্যাপী যথাযোগ্য আয়োজনে এই দিবসটিও পালন করা হবে।

সারাবাংলা/জেআর/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button