অপরাধ

আইফোনসহ ১৮৩টি চোরাই মোবাইল জব্দ, গ্রেফতার ১৪

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীতে গণপরিহন, বাসস্ট্যান্ড ও জনবহুল এলাকায় ছুটে চলা মানুষের পকেটে থেকে মোবাইলটি ছোঁ মেরে পালিয়ে যায় তারা। এসব মোবাইল অল্প দামে বিভিন্ন অভিজাত মার্কেটে বিক্রি হয়। এ কাজে জড়িত রয়েছে একটি বড় চক্র। অভিযানে চক্রের ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিট।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সিআইডির সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক। তিনি জানান, চক্রটি মোবাইল ছিনতাইয়ের পর মোবাইলগুলোর আই এম ই আই নম্বর পরিবর্তন করত। এই নম্বর পরিবর্তনের পর বিভিন্ন অভিজাত মার্কেটের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতো এসব মোবাইল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. মনির হোসেন (৪৬), মো. সোহেল মিয়া (৩৫), মো. হযরত আলী (৩৪), মো. সবুজ (৩৫), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪২), মফিজুল্লাহ (৩৬), ইমন মিয়া (১৯), মো. আনোয়ার হোসেন (২৮), ওয়াসিম হোসেন (২৭), মো. রুবেল হোসেন (২১), মো. তোফাজ্জল হোসেন (৫৫), মো. আমিন (৩৮), আতিকুল ইসলাম (৩৫) ও মো. তরিকুল ইসলাম বাবু (২৭)।

বিজ্ঞাপন

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের স্যামসাং, অপ্পো, হুয়াই, ট্যাব, নকিয়া ও আইফোনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

শেখ ওমর ফারুক আরও বলেন, সিআইডির একটি বিশেষ টিম শাহবাগের ফনিক্স রোড এলাকা থেকে বুধবার (১৭ মার্চ) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, রাজধানীর গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া, গোলাপশাহ মাজার ও মুগদা বাস স্ট্যান্ডসহ অন্যান্য ব্যস্ততম মোড়ে চক্রটি ছোঁ মেরে মোবাইল ছিনতাই করত। ছিনতাইয়ের পর এই চক্রটি তাদের নির্দিষ্ট মোবাইল দোকানে নিয়ে গিয়ে আই এম ই আই নম্বর পরিবর্তন করত। আর নম্বর পরিবর্তনের পর বিভিন্ন অভিজাত মার্কেটের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করত তারা।

ছিনতাইকৃত মোবাইল যদি অভিজাত মার্কেটে বিক্রি হয় তাহলে সাধারণ ক্রেতারা কিভাবে বুঝবে মোবাইলটি ছিনতাই করা— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোবাইল ব্যান্ডের ডিলার ও কোম্পানি অনুমতি শোরুম থেকে মোবাইল কিনতে হবে। একইসঙ্গে মোবাইল কেনার রশিদও সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তবে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কয়েকটি মামলা ছিল এবং তারা আগেও গ্রেফতার হয়েছিল, তাহলে কী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থ হচ্ছে শাস্তি দিতে— এমন প্রশ্নে শেখ ওমর ফারুক বলেন, তাদেরকে গ্রেফতারের পর আমরা আদালতে সোপর্দ করি। কিন্তু সেখান থেকে তারা কিভাবে বের হয় তা আমরা জানি না। এটি বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ার।

এই সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কানিজ ফাতেমা ও এএসপি (মিডিয়া) জিসানুল হক জিসানও উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/এনএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button