স্বাস্থ্য

আপাতত লকডাউনের কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সংক্রমণ বাড়তির দিকে থাকলেও আবার লকডাউন দেয়ার মতো কোনো চিন্তাভাবনা নেই সরকারের। স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণেই দেশে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। লকডাউন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত, এ বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা নেই। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৭ মার্চ) বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস-বিসিপিএস মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের উৎপত্তিতে নজর দিতে হবে। ভ্যাকসিন নিলেই করোনা মুক্ত হয়ে যাবেন না। করোনা বেড়ে গেলে নিয়ন্ত্রণ নেয়া যাবে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, যেসব জায়গায় রোগীর উৎপত্তি হচ্ছে সেই জায়গাগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নইলে লাখ লাখ লোককে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যাবে না। হাসপাতালে জায়গা হবে না। এতো সিট আমাদের নেই, কোনো দেশেই থাকে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ছে তা নিয়ে অনেকে আলোচনা করছেন। কিন্তু কেন বাড়ছে সেটা নিয়ে কেউ কথা বলছে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তার কন্যা শেখ হাসিনাও স্বাস্থ্যখাতের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। সে কারণেই স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশ আজকের এই অবস্থানে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার সময় আমরা মাত্র ৬-৭টা মেডিকেল কলেজ পেয়েছিলাম। আর আজ বাংলাদেশে ৩৮টি সরকারি মেডিকেল কলেজ। একটাও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না, এখন পাঁচটা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আছে। জেলা, উপজেলা হাসপাতালে সিট দ্বিগুণ হয়ে গেছে। স্বাধীনতার সময় ৭ হাজারের মতো সিট ছিল, আজ  সরকারি-বেসরকারি দেড় লাখ শয্যা আছে হাসপাতালের।

বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিকিৎসকদের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নার্সদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছেন বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান,স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাসহ অন্যান্যরা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসবি


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button