জাতীয়

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বরদাশত করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সম্প্রীতি নষ্টের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বরদাশত করা হবে না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘দেশে সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের কোনো রক্ষা নেই। যারা সম্প্রীতি বিনষ্ট করবে, তাদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।’

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে তেজগাঁওয়ের বটমলী হোমসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল‍্যাণ উপকমিটি আয়োজিত বস্ত্র ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার পর ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করবে কি না, সে অপেক্ষায় ছিল স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। তারা মামলা না করায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলা নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। মনে রাখবেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। এখানে সাম্প্রদায়িকতা হতে দেওয়া হবে না। উস্কানিদাতাদের আইনের আওতায় আনা হবে। বিশৃঙ্খলা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব‌্যবস্থা নেবে।’

বিজ্ঞাপন

মামুনুলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে মন্দিরসহ বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার আছে। যা যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। এই শান্তি যেন কেউ নষ্ট না করতে পারে, সেজন্য সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন এবং মনিটরিংয়ের জন্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারপরও কেউ কেউ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ধর্ম বা চেতনায় আঘাত করার চেষ্টা করছে। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো মন্তব্য করার আগে অবশ্যই সঠিকভাবে চিন্তা করতে হবে।’

উল্লেখ‌্য, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বক্তব‌্যের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেয় শাল্লা গ্রামের এক যুবক। পরে মামুনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গ্রাম ঘেরাও করে। একপর্যায়ে গতকাল বুধবার (১৭ মার্চ) সুনামগঞ্জের নোয়াগাঁওয়ে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় পুরো গ্রামে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হামলায় কারা জড়িত, কে নির্দেশ দিয়েছে, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/এমও


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button