জাতীয়

‘বিশ্বের জন্য শান্তির পতাকা হাতে আবির্ভূত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাবিশ্বের জন্যই শান্তির পতাকা হাতে আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধূরী।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরপরই দেশ গঠন ও উন্নয়নের রূপরেখা প্রণয়ন করেন বঙ্গবন্ধু। একইসঙ্গে যুদ্ধ, ধ্বংস ও অশান্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। সারাবিশ্বে শান্তির পতাকা হাতে আর্বিভূত হলেন মুক্তির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে কারণেই বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এই শান্তির দূত ‘জুলিও কুরি’ পদকও পেয়েছিলেন।

বুধবার (১৭ মার্চ) দুপুরে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে ‘শান্তি ও উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর দর্শন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ অধ্যাপক ড. গোবিন্দ চক্রবর্তী।

বিজ্ঞাপন

‘বিশ্বের জন্য শান্তির পতাকা হাতে আবির্ভূত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু’

মেজর জেনারেল আইয়ূব বলেন, বঙ্গবন্ধু হলেন সারাবিশ্বের শোষিত, মজলুম, দুঃখী, মজুর ও শ্রমজীবী মানুষের মহান নেতা। ঐতিহাসিক পটভূমির স্রষ্টা বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে একান্তই নিজের মতো করে উন্নয়ন ও শান্তিতে তার দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা বাঙালিসহ বিশ্বের শোষিত মানুষের মুক্তি সনদ হিসেবে কাজ করবে অনন্তকাল। বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন শক্তিশালী ও জীবন্ত।

বিজ্ঞাপন

পাসপোর্ট অধিদফতরের এই মহাপরিচালক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন শোষণমুক্ত সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বিশ্ব শান্তিতে বঙ্গবন্ধুর দর্শন হলো— ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।’ তার নীতিতেই পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে সাফল্য পাচ্ছে বাংলাদেশ।

ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদুর রহমান খান অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর নেওয়া উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও জীবন দর্শন তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু তার বক্তব্যে বলেন, শান্তি ও উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর দর্শন হলো বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িকতাভিত্তিক।

কর্মশালা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও দোয়া অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের পর জাতির পিতা ও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট শাহাদাত বরণকারী তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়, ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস,আগারগাঁও, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, উত্তরা ও যাত্রবাড়ী, পাসপোর্ট অফিস বাংলাদেশ সচিবালয় এবং পাসপোর্ট অফিস ঢাকা সেনানিবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/ইউজে/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button