অর্থ-বাণিজ্য

১ লাখের বেশি নারী উদ্যোক্তাকে স্বাবলম্বী করেছে কোকাকোলা

সারাবাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এক লাখেরও বেশি প্রান্তিক নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার মাইলফলক অর্জন করেছে জনপ্রিয় কোমল পানীয় কোম্পানি কোকাকোলা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউনাইটেড পারপাসের সহযোগিতায় কোকাকোলার এই কর্মসূচি নারীর ক্ষমতায়নকে গুরুত্ব দিয়েছে। যা বাংলাদেশ সরকারের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের নারীরা এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক ক্ষমতায়িত।

বিজ্ঞাপন

কোকাকোলা বৈশ্বিক ‘৫/২০’ ক্যাম্পেইনের আওতায় তার অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে সারাবিশ্বে ৬০ লাখের বেশি নারীকে স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়িত করেছে। এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য ছিল ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৫০ লাখ নারীকে আর্থিক ও আনুষঙ্গিক সহায়তা দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলা।

‘ফাইভ বাই টোয়েন্টি’ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ২০১৫ সালে, কোকা-কোলা বাংলাদেশে উইমেন বিজনেস সেন্টার (ডব্লিউবিসি) বা নারী ব্যবসা কেন্দ্র নামে অনন্য ও ব্যতিক্রমধর্মী মডেলের বাস্তবায়ন শুরু করে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য নারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, মোবাইল ব্যাংকিং সহায়তা, স্বাস্থ্য পরামর্শ, দিক নির্দেশনা ও নেটওয়ার্কিং সুবিধা প্রদান এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া।

বিজ্ঞাপন

নারী উদ্যোক্তারা সচরাচর যেসব বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হন, সেসব সমস্যা চিহ্নিত করার পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা মাথায় রেখে নারী পরিচালিত এসব ব্যবসাকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।

দেশের উত্তরপশ্চিম ও দক্ষিণপশ্চিমের জামালপুর, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় বর্তমানে ৭০টির বেশি ডব্লিউবিসি কেন্দ্র ও ২০০ উপকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের মাধ্যমে ২০২০ সালে মধ্যে ১ লাখেরও বেশি নারীকে ক্ষমতায়িত করার মাইলফলক অর্জন করেছে কোকাকোলা।

বিজ্ঞাপন

জামালপুর জেলার সিভিল সার্জন প্রণয় কান্তি দাস বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন তৈরির প্রচেষ্টার জন্য কোকাকোলা ও ইউনাইটেড পারপাসকে ধন্যবাদ জানাই। ডব্লিউবিসি প্রকল্প শুধুমাত্র প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়িত করেনি, তাদের পরিবারের সদস্যরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তাই এই প্রচেষ্টার জন্য আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

ইউনাইটেড পারপাসের কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীরামাপ্পা গনচিকার বলেন, ইউনাইটেড পারপাসের অভিজ্ঞতা বলছে, এই প্রকল্পে দেওয়া প্রাথমিকভাবে সহায়তা ছাড়িয়ে ডব্লিউবিসি এখন টেকসই ও পরিমাপযোগ্য মডেলে পরিণত হয়েছে। প্রকল্পের সময়ে দেখা গেছে আগের চেয়ে নারীদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ ধরনের একটি উচ্চাকাঙ্খী প্রকল্প সামনে নিয়ে আসা ও তা বাস্তবায়ন করায় আমরা কোকাকোলাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএসএ


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button