সারাদেশ

নোয়াখালীতে কিশোরীকে তুলে এনে ধর্ষণের পর হত্যা, আটক ১

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

নোয়াখালী: সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়ন থেকে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৬) তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর মারধর করে হত্যা করার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে মাইজদী কোর্ট স্টেশনের নিকট ব্যাচেলরদের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা হাসপাতাল থেকে কথিত প্রেমিক রায়হানকে (১৯) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সে বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খানপুর গ্রামের ডা. আবদুল মোতালেবের ছেলে। নিহত ওই কিশোরী স্থানীয় এক মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, চরমটুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের উদয় সাধুর হাট থেকে রায়হান ও তার বন্ধু রাকিব ওই ছাত্রীকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে মাইজীবাজারের রেললাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে একাধিক তরুণ মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। বেলা ১১টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী কৌশলে তার বড় বোনকে ফোন করে ঘটনাটি জানায়। ওই কিশোরী তাকে উদ্ধারের আকুতি জানায়। এরপর থেকেই সেই নাম্বার বন্ধ ছিল।

বিজ্ঞাপন

স্বজনদের অভিযোগ, গণধর্ষণের পর তাকে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করা হয়। দুপুর দুইটায় অভিযুক্ত রায়হান ওই কিশোরীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ওই কিশোরীর লাশ রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতাল থেকে নিহতের স্বজনরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন নাজমুন নাহার বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button