তথ্যপ্রযুক্তি

প্যাটেন্ট মালিকানায় রেকর্ড হুয়াওয়ের

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) পণ্য নির্মাতা ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে গত বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক প্যাটেন্ট অধিকারের রেকর্ড গড়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যমান সব প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম প্যাটেন্টধারক।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির শেনজেন সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ‘ইনোভেশন অ্যান্ড আইপি প্রসপেক্টস ইন ২০২১’ ফোরামে উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত নতুন হোয়াইটপেপারে হুয়াওয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। শনিবার (২০ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে হুয়াওয়ে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব গুজব ও চাপ উপেক্ষা করে হুয়াওয়ে উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অর্থ বিনিয়োগ এবং এর প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছে। এর ফলে গত বছরের শেষে সারাবিশ্বের ৪০ হাজারের বেশি প্যাটেন্ট পরিবারে ১ লাখের অধিক সক্রিয় প্যাটেন্ট রয়েছে, যেখানে ২০১৯ সালের শেষে হুয়াওয়ের এই সংখ্যা ছিল ৮৫ হাজারের কিছু বেশি। প্যাটেন্ট মালিকানার ক্ষেত্রেও এটি প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি।

বিজ্ঞাপন

চীনের শীর্ষ প্যাটেন্ট ধারক হুয়াওয়ে টেলিকম সরঞ্জামে, বিশেষত ফাইভজি প্রযুক্তি, ভিডিও প্রায়োগিক প্রযুক্তি, ওয়াই-ফাই, কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্যাটেন্টের মালিক। হুয়াওয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার বিভাগের প্রধান জেসন ডিং বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উদ্ভাবন হুয়াওয়ের ব্যবসার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আজকের এই সাফল্য উদ্ভাবন ও আরঅ্যান্ডডি-তে হুয়াওয়ের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ফল।’

হুয়াওয়ে ১৯৯৫ সালে চীনে ও ১৯৯৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর প্রথম প্যাটেন্ট আবেদন জমা দেয়। ২০০৮ সালে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অরগানাইজেশন প্যাটেন্ট আবেদনের সংখ্যার বিচারে হুয়াওয়েকে প্রথম স্থানে তালিকাভুক্ত করে। ২০১৯ সালে অনুমোদিত প্যাটেন্টের সংখ্যার বিচারে হুয়াওয়ে ইউরোপে দ্বিতীয় স্থান দখল করে।

বিজ্ঞাপন

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুয়াওয়ে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অর্গানাইজেশনে প্যাটেন্ট আবেদনে শীর্ষে ছিল। এমনকি অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি জায়ান্টরাও ছিল তার পেছনে। ২০২০ সালে হুয়াওয়ে উইপোর প্যাটেন্ট সহযোগিতা চুক্তির আওতায় ৫ হাজার ৪৬৪টি প্যাটেন্টের আবেদন করে। হুয়াওয়ের পরে ছিল যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং (৩ হাজার ৯৩), জাপানের মিতসুবিশি ইলেকট্রিক, দক্ষিণ কোরিয়ার এলজি ইলেক্ট্রনিক্স ও যুক্তরাষ্ট্রের কোয়ালকম।

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button