সারাদেশ

‘শাল্লা হামলার প্রধান আসামি শহিদুল যুবলীগের কেউ নয়’

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

সুনামগঞ্জ: শাল্লা উপজেলায় নোয়াগাঁও গ্রামে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়া শহিদুল ইসলাম স্বাধীন মেম্বার (৫০) যুবলীগের কেউ নয় বলে দাবি করা হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

শহিদুলকে শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাতে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

জানা যায়, শহিদুলের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের নাসনি গ্রামে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তবে যুবলীগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্তা নেই বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে শনিবার (২১ মার্চ) বিকালে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের রমিজবিপণির জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার মঞ্জুর আহমদ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০০৭ সালের পর থেকে দিরাই ও শাল্লায় যুবলীগের কোনো সাংগঠনিক কমিটি নেই। তাই যারা শহিদুল ইসলামকে যুবলীগের নেতা বলে প্রচার করছেন, সেটা সঠিক নয়। এটা মূল ঘটনাকে আড়াল করার ষড়যন্ত্র।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম বজলু, সবুজ কান্তি দাস, সীতেশ তালুকদার মঞ্জু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

নোয়াগাঁও গ্রামের মানুষের বাড়িঘরে বুধবার সকালে পার্শ্ববর্তী চারটি গ্রামের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এ সময় বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং হামলাকারীরা এ সময় লুটপাট চালায়। ঘরের জিনিসপত্র ও টাকা—পয়সা নিয়ে যায়। খবর পেয়ে প্রশাসন ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় শাল্লা থানায় দুটি মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত শহিদুলসহ ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button