আইন-বিচার

৩৯ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি’ দেওয়ার নির্দেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিসিএস ক্যাডারভুক্ত সাবেক ৩৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন পদমর্যাদায় (সচিব-উপসচিব) ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। তাদেরকে প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের স্বাক্ষরের পর এ রায় প্রকাশ করা হয়। রোববার (২১ মার্চ) রিটকারীদের আইনজীবী রেজা-ই-রাব্বী রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাধীনতার পর প্রথম বিসিএসের মাধ্যমে এই ৩৯ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল সরকার। বর্তমানে তারা অবসরে রয়েছেন। তাদের করা তিনটি রিটের শুনানি নিয়ে গত বছরের ১ নভেম্বর নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

বিজ্ঞাপন

ওই দিন রায়ের পরে আইনজীবী রেজা-ই-রাব্বি সাংবাদিকদের বলেন, এই ৩৯ মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন সরকার। ১৯৯৮ সালে তাদের পদোন্নতির জন্য একটি নীতিমালা করা হয়। এ নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি পেয়ে তাদের কেউ কেউ যুগ্ম সচিব পর্যন্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২০০২ সালে নতুন একটি বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এটি করাই হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়ার জন্য। এর মধ্যে ২০১১ সালে এ সংক্রান্ত অন্য একটি মামলা আপিল বিভাগ পর্যন্ত যায়। সে মামলার রায়ে আপিল বিভাগ বলে দিয়েছিলেন ২০০২ সালের বিধিমালা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। আর ২০০২ সালের বিধিমালা অনুযায়ী যাদের পদোন্নতি বঞ্চিত করে কনিষ্ঠদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, সেসব কনিষ্ঠদের পদোন্নতি পাওয়ার তারিখ থেকে বঞ্চিতরা প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাবেন।

এরপর ২০১৩ সালে বঞ্চিত ওই ৩৯ কর্মকর্তা ২০০২ সালের বিধিমালা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক তিনটি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের ১২ নভেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার বলেন, পদোন্নতি বঞ্চিত না হলে এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৭ জন সচিব, একজন অতিরিক্ত সচিব ও একজন যুগ্ম সচিব হতেন।

সারাবাংলা/কেআইএফ/এনএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button