রাজধানী

পানি সংকটে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিলম্ব হয়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর মতিঝিলে পাটকল করপোরেশন ভবনের সাততলায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে পানির সংকটে বেগ পেতে হয়েছিল ফায়ার এন্ড সিভিল সার্ভিসের কর্মীদের। এ কারণে নিজেদের রিজার্ভ পানি শেষ হয়ে গেলে সেখানে পাশে থাকা জনতা ব্যাংকের জনতা ফোয়ারা থেকে পানি নিয়েছিল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২২ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে আগুন লাগে মতিঝিলে বাংলাদেশে পাটকল করপোরেশন ভবনের সাততলায়। আগুন খবর পেয়ে প্রথমে ৫টি ইউনিট এবং পরে আরও ২টি ইউনিট বাড়ানো হয়। এতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছিল ফায়ার কর্মীদের। পরে আরও ৬টি ইউনিট যোগ দেয় আগুন নিয়ন্ত্রণে। মোট ১৩ ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় আড়াই ঘন্টা পর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে পানি সংকট না থাকলে আরও দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো বলে মনে করছে ফায়ার সার্ভিস।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন ভবনের সপ্তম তলায় একটি কাগজপত্রের একটি গোডাউন ছিল, সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কয়েক দফায় মোট ১৩টি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট পাঠানো হয়। সর্বশেষ দুপুর বিকেল সাড়ে ৩টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সাততলায় কাগজপত্রের গুদাম থাকার কারণে আগুনে নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়েছে। আশপাশে বিকল্প পানির ব্যবস্থা না থাকার কারণে কিছুটা পানি সংকটে পড়তে হয় আমাদের। এ কারণে ভবনের পাশেই জনতা ব্যাংকের জনতা ফোয়ারা থেকে মোটর দিয়ে পানি নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু আগুনের ঘটনা ঘটেছে একটি গোডাউনে যেখানে কাগজপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র হয়েছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও পুরোপুরি অগ্নিনির্বাপণের ক্ষেত্রে আরও বেশকিছু সময় ক্ষেপণ করতে হবে। তারপরে আমরা বলতে পারব আগুনের সূত্রপাতের কারণ কি ছিল।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমরা আগুন লাগার খবরের পর থেকেই আগুন নেভানোর কাজেই ব্যস্ত রয়েছি। আগুন লাগার কারণ ঠিক কি ছিল তা জানি না। আমাদের ১৩টি ইউনিট কাজ করছে, জনবল আছে ১০০ এর বেশি। আগুন পুরোপুরি নির্বাপণের পর আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হবে, তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, ভবনটি যেহেতু পাটকল করপোরেশনের। তারাই বলতে পারবে গোডাউনটি কার বা কারা ব্যবহার করছিল। সেখানে কাগজপত্র ছাড়াও আর কি কি ছিল সেটাও দেখা হবে। ভবনটি পুরাতন। ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল জেনেছি তবে তা কি অবস্থায় ছিল তা জানি না। খতিয়ে দেখা হবে।

বিজ্ঞাপন

ভেতরে কেউ আটকা পড়েছে কিনা বা হতাহতের কোনো তথ্য রয়েছে কিনা জানতে চাইলে সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত হতাহত বা আটকা পড়ে থাকার কোনো তথ্য আমরা নিশ্চিত হতে পারেনি। তবে আগুন নির্বাপিত হলে সার্চ করব কেউ হতাহত রয়েছেন কিনা।

আগুন নিয়ন্ত্রণ হলেও প্রচুর ধোয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, কাগজপত্র থাকায় আগুন দ্রূত লেগেছে, পানি দেওয়ায় আগুন নিভেছে তবে ধোয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/এনএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button