খেলা

শাহাদাত ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল, রাকিবুল-আবু হায়দার বোলিংয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম রাউন্ডের প্রথম দিনে চার ম্যাচে তিনটিতেই দাপট দেখিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। তবে বরিশালে ঘটল ব্যতিক্রম। ব্যাটসম্যানরা নয়, বরিশাল বিভাগিয় স্টেডিয়ামে ছড়ি ঘুরিয়েছেন বোলাররাই। প্রথম দিনে পতন হয়েছে ১১ উইকেট। প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা বরিশাল বিভাগ ২৪১ রানে গুটিয়ে গেলে পরে ১ উইকেটে ২৯ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে ঢাকা মেট্রো।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, চট্টগ্রামের শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে ২৫৬ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। এই ম্যাচে চট্টগ্রামের হয়ে আলাদা করে আলো কেড়েছেন শাহাদত হোসেন দিপু। বাংলাদেশকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানো ক্রিকেটারদের মধ্যে কয়েকজন তরুণ দারুণ আলো ছড়াচ্ছেন। কয়েকদিন আগে আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন বেশ কয়েকজন যুব বিশ্বাকপজয়ী ক্রিকেটার। তরুণরা জাতীয় লিগে পারফর্ম করার জন্যও যে প্রস্তুত যেটা বোঝা গেল প্রথম রাউন্ডের প্রথম দিনেই।

শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে শুরুটা ভালো হয়নি চট্টগ্রামের। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক যখন ব্যক্তিগত ৬ রানে ফিরলেন চট্টগ্রামের স্কোর কখন ৪/৫২। মনে হচ্ছিল, বুঝি অল্পতেই গুটিয়ে যাবে বন্দরনগরির দলটি। যুব বিশ্বকাপজয়ী শাহাদত প্রতিরোধ গড়লেন সেখান থেকেই। ইয়াছির আলি রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন ৯২ রানের জুটি। ইয়াছির ৯ চার ১ ছয়ে ৬৩ রান করে ফিরলে পরে মেহেদি হাসান রানাকে নিয়ে এগিয়েছেন শাহাদত। দিন শেষে ৮৮ রানে অপরাজিত এই তরুণ। ২২৪ বল খেলে ৮টি চার ১টি ছয়ে এই রান করেছেন শাহাদত। রানা আউট হয়েছেন ৫৫ রান করে। রাজশাহীর হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ফরহাদ রেজা ও আসাদুজ্জামান পায়েল।

বিজ্ঞাপন

বরিশালে ঢাকা মেট্রোর অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়াতে বড় অবদান আরেক যুব বিশ্বকাপজয়ী রকিবুল হাসানের। এনসিএলের প্রথম দিনে দারুণ বোলিং করেছেন তরুণ স্পিনার। অনেকদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা পেসার আবু হায়দার রানিও বেশ ভালো বোলিং করেছেন। দুই তরুণের দারুণ বোলিংয়ে বেশিদূর এগুতে পারেনি ঢাকা।

শুরুতেই ওপেনার মইনুল ইসলামকে ফেরান আবু হায়দার। ওপেনিংয়ে নামা সাবেক অধিনায়ক মোহাম্দ আশরাফুল তারপর এগুচ্ছিলেন দারুণভাবে। কিন্তু রকিবুল আর আরাফাত সানির স্পিন ঢাকা মেট্রোর মিডিল অর্ডারকে সেখাবে দাঁড়াতেই দেয়নি। শেষ দিকে সোহাগ গাজী ও আবু সায়েম টি-টোয়েন্টি গতিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস না খেললে হয়তো দুইশও হতো না ঢাকার!

বিজ্ঞাপন

আশরাফুল ওপেনিংয়ে নেমে ১৩৪ বল খেলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেছেন। সোহাগ গাজী ২৮ বলে ৪৫ ও সায়েম ৪৭ বলে ৪৬ রান করেছেন। রকিবুল ১৬ ওভারে ৭৬ রান খরচায় তিন উইকেট নিয়েছেন। আবু হায়দার ১৪ ওভারে ৩৪ রান খরচায় নিয়েছেন তিন উইকেট। দুটি উইকেট নিয়েছেন আরাফাত সানি।

সারাবাংলা/এসএইচএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button