স্বাস্থ্য

২০ আগস্টের পর ফের একদিনে শনাক্ত ২৮শ

সারাবাংলা ডেস্ক

দেশের করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ধারা ফের গত বছরের সর্বোচ্চ সংক্রমণের সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৮০৯টি। এর আগে, গত বছরের ২০ আগস্ট সবশেষ ২ হাজার ৮শ’র বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। ওই দিন শনাক্তের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮৬৮টি। এরপর গত ৭ মাস, সুনির্দিষ্টভাবে বললে ২১৩ দিনের মধ্যে আর একদিনে এত বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।

বিজ্ঞাপন

কেবল সংক্রমণ সংখ্যা নয়, নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। আগের দিন এই হার ছিল ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের এই হার ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় বেড়েছে মৃত্যুও। আগের দিনের ২১ জনের মৃত্যুর তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩০ জন।

সোমবার (২২ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি আরটি-পিসিআর, জিন-এক্সপার্ট ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে মোট ২১৯টি ল্যাবরেটরিতে ২৬ হাজার একটি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে এই সময়ে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৫ হাজার ১১১টি। গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর গত ২৪ ঘণ্টাতেই একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যেসব নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, এর মধ্যে ২ হাজার ৮০৯ জনের মধ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৭ জনের মধ্যে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭৫৪ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হলেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ১৫৯ জন। সংক্রমণ শনাক্তের বিপরীতে সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩০ জন করোনা সংক্রমণ নিয়ে মারা গেছেন, তা নিয়ে দেশে মোট ৮ হাজার ৭২০ জন মারা গেলেন। এই ৩০ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ, পাঁচ জন নারী। তাদের মধ্যে একজন বাড়িতে এবং বাকি ২৯ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

মৃত ৩০ জনের মধ্যে ২০ জন ষাটোর্ধ্ব। বাকিদের মধ্যে ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী রয়েছেন সাত জন। ৪১ থেকে ৫০ বছর, ৩১ থেকে ৪০ বছর ও ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী একজন করে মারা গেছেন এই সময়ে। মৃতদের মধ্যে ২৪ জন ঢাকা বিভাগের, চার জন চট্টগ্রাম বিভাগের। একজন করে মারা গেছেন খুলনা ও সিলেট বিভাগে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সোমবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন মোট ৬২ লাখ ৭১ হাজার ৫২৪ জন। অন্যদিকে, গত রোববার (২১ মার্চ) পর্যন্ত দেশে এই ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৪৮ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৯ জন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button