স্বাস্থ্য

৯ মাস পর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড

সারাবাংলা ডেস্ক

ঢাকা: গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৫৪টি। গত ৯ মাসের মধ্যে একদিনে এটিই করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, এর আগে গত বছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯টি করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। এরপর গত প্রায় ৯ মাসে আর একদিনে এত বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি। ২ জুলাইয়ের ওই সংক্রমণই এখন পর্যন্ত দেশে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড।

বিজ্ঞাপন

কেবল সংক্রমণ সংখ্যা নয়, নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। আগের দিন এই হার ছিল ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের এই হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তবে গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় কমেছে মৃত্যু। আগের দিনের ৩০ জনের মৃত্যুর তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১৮ জন।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি আরটি-পিসিআর, জিন-এক্সপার্ট ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে মোট ২১৯টি ল্যাবরেটরিতে ২৬ হাজার ৩৫৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে এই সময়ে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৫ হাজার ৯৫৪টি। গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর গত ২৪ ঘণ্টাতেই একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যেসব নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, এর মধ্যে ৩ হাজার ৫৫৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ২৪১ জনের মধ্যে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৮৩৫ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হলেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৯৯৪ জন। সংক্রমণ শনাক্তের বিপরীতে সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ১২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৮ জন করোনা সংক্রমণ নিয়ে মারা গেছেন, তা নিয়ে দেশে মোট ৮ হাজার ৭৩৮ জন মারা গেলেন। এই ১৮ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ছয় জন নারী। তাদের মধ্যে একজন বাড়িতে এবং বাকি ১৭ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১০ জন ষাটোর্ধ্ব। বাকিদের মধ্যে ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী রয়েছেন ছয় জন। ৪১ থেকে ৫০ বছর ২ জন মারা গেছেন এই সময়ে। মৃতদের মধ্যে ১৪ জন ঢাকা বিভাগের, তিন জন চট্টগ্রাম বিভাগের। একজন মারা গেছেন রংপুর বিভাগে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন মোট ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার ২১৯ জন। অন্যদিকে, গত সোমবার (২২ মার্চ) পর্যন্ত দেশে এই ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৪৯ লাখ ১১ হাজার ৯০২ জন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএসএ/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button