আন্তর্জাতিক

শিশুদের জন্য ভ্যাকসিন আনছে ফাইজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারি রোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্যাকসিন প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই ভ্যাকসিন শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য, শিশুদের জন্য নয়। তবে আশার কথা এই যে, এবার শিশুদের জন্য ভ্যাকসিন নিয়ে আসছে ফাইজার ও বায়োটেক। খবর রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন

ইতোমধ্যে শিশুদের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এই ট্রায়াল চালানো হচ্ছে। ২০২২ সালের মধ্যে এই বয়সের শিশুদের মধ্যে ব্যাপকহারে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করার আশা করছেন ফাইজার। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

ফাইজারের মুখপাত্র শ্যারন কাস্টিলো জানিয়েছেন, গত বুধবার শিশু স্বেচ্ছাসেবীদের প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এর মধ্যে দিয়ে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল কার্যক্রম শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

গত বছর ডিসেম্বরে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদের ওপর প্রয়োগের জন্য ফাইজার ও বায়োটেক’র তৈরি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজেজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) গত বুধবারের তথ্য অনুয়ায়ী, এই ভ্যাকসিনের প্রায় ৬৬ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ করা হয়েছিল।

এদিকে গত সপ্তাহে একই ধরনের ট্রায়াল শুরু করেছে আরেক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মডার্না। তাদের ট্রায়ালে ছয় মাসের কম বয়সের শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ থেকে ১৭ বয়সের শিশুদের ওপর ফাইজার ও বায়োটেক’র ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। তবে মর্ডানার ভ্যাকসিন ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদেরও দেওয়া হয়। তবে ছোট শিশুদের জন্য এখনো পর্যন্ত কোনো করোনার ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞাপন

অধিক সুরক্ষার জন্য ফাইজার ও বায়োটেক তাদের দুটি ডোজের ভ্যাকসিনকে ১০, ২০ ও ৩০ এমজি’তে ভাগ করছে। প্রথম ট্রায়ালে ১৪৪ জন অংশগ্রহণকারীকে এই ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরপর চার হাজার ৫শ জন শিশুকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এ সময় ভ্যকসিনটি দেওয়ার পর সুরক্ষা, সহনশীলতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটুকু বৃদ্ধি পাচ্ছে তা পরীক্ষা করা হবে। এছাড়াও তরুণ-তরুণীদের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও পরিমাপ করা হতে পারে।

২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে ট্রায়ালের সকল তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ফাইজারের মুখপাত্র শ্যারন কাস্টিলো।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, ফাইজার ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করছে। আগামী সপ্তাহে এই পরীক্ষার তথ্য পাওয়া যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সারাবাংলা/এনএস


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button