আন্তর্জাতিক

৮৩’র আগে ক্ষমতা ছাড়তে চাইছেন না পুতিন

একেএম জাকারিয়া, নিউজরুম এডিটর

রাশিয়ায় প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সংক্রান্ত নতুন এক আইনে সই করেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। যে আইনের মাধ্যমে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত তার ক্ষমতায় থাকার রাস্তা তৈরি হবে। আর তখন পুতিনের বয়স হবে ৮৩। পুতিনবিরোধীরা এই পদক্ষেপকে সাংবিধানিক অভ্যুত্থান বলে মনে করছেন। খবর রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুতিনের চলতি দায়িত্ব ২০২৪ সালে শেষ হবে। তারপর, আরও দুই মেয়াদে (ছয় বছর করে) তিনি যেনো প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে দেশটির সংবিধানে সংশোধনী দরকার ছিল; ২০২০ সালে সংশোধনী প্রস্তাবগুলোকে সামনে রেখে গণভোটের আয়োজন করে পুতিন প্রশাসন। গণভোট থেকে সংবিধান সংশোধনের পক্ষে রায় আসে। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন এই আইনে সই করলেন তিনি।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ওই আইনে সই করার ব্যাপারে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সংক্রান্ত নতুন এ বিলটি মার্চ মাসেই রাশিয়ার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে পাস হয়েছিল।

অন্যদিকে, রাশিয়ায় এখন প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ছয় বছর। কার্যকর হওয়া নতুন আইন অনুযায়ী, দেশটিতে এখন কেউই আর দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে পারবেন না। পুতিন এর আগেও তিন দফা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তারপর সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায় থাকার রাস্তা তৈরি করে নিয়েছেন পুতিন।

বিজ্ঞাপন

সেক্ষেত্রে, পুতিনের বর্তমান মেয়াদ নতুন আইনটির আওতায় পড়বে না। ৬৮ বছর বয়সী এই সাবেক কেজিবি এজেন্ট ২০২৪ সালের পর আরও দুটি মেয়াদ ক্রেমলিনের শীর্ষ পদে থাকতে পারবেন। তবে তিনি এ সুযোগ কাজে লাগাবেন কি না, সে সম্বন্ধে তার দিক থেকে কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

রয়টার্স জানাচ্ছে, রাশিয়ার জনগণ ২০২০ সংবিধানে যেসব পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তাতে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও পেনশন সুরক্ষা জোরদারের মতো কল্যাণমূলক অনেক বিষয় ছিল। জনসমর্থন আদায়ের লক্ষ্যেই পুতিন এ সবকিছুকে একটি প্যাকেজের আওতায় গণভোটে হাজির করেছিলেন বলে ভাষ্য সমালোচকদের। সংবিধান পরিবর্তনের গণভোটকে তাদের অনেকে সাংবিধানিক অভ্যুত্থান বলেও অভিহিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button