আইন-বিচার

‘খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত সরকার নেবে’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে হলে আদালতে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া সরকারের আদেশে এখন মুক্ত রয়েছেন। তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সরকার আইন অনুযায়ী সেই সিদ্ধান্ত নেবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৪ মে) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

সরকারি আদেশে খালেদা জিয়া মুক্ত আছেন। এখন তাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিতে হলে আদালতের অনুমতি লাগবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ অনুযায়ী সরকার তাকে মুক্তি দিয়েছে। এখন তাকে বিদেশে নিতে গেলে আদালতে আসতে হবে বলে আমার মনে হচ্ছে। তারপরও আমি না দেখে বলতে পারছি না।

বিজ্ঞাপন

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, তার (খালেদা জিয়া) চিকিৎসা কতটুকু প্রয়োজন, বাংলাদেশে সেই চিকিৎসা আছে কি না— এ বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে। না থাকলে সরকার সবকিছু দেখে বিবেচনা করবে। কারণ এটা তো সরকারি আদেশ। পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সরকার নির্ধারণ করে যেখানে প্রয়োজন সেখানে আসবেন। সরকারই এটা ঠিক করবে যে আদালতে আসার প্রয়োজন আছে কি না।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি ছিলেন। এর মধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএসএমএমইউয়ে ভর্তি করা হয়। পরে গত বছরের ২৫ মার্চ তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আবেদনে সাজা ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তি দেয় সরকার।

বিজ্ঞাপন

এরপর খালেদা জিয়া রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যান। ছয় মাসের সাময়িক মুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সরকার ফের মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।

সারাবাংলা/কেআইএফ/টিআর


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button