শিক্ষা

অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখান খুবি শিক্ষক সমিতির

খুবি করেসপন্ডেন্ট

অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকা প্রত্যাখ্যান করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) শিক্ষক সমিতি। একইসঙ্গে নীতিমালাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৮ এপ্রিল) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. ওয়ালিউল হাসানাত এবং সাধারণ সম্পাদক ড. তানজিল সওগাতের সই করা এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ১২ এপ্রিল শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষক এ নীতিমালা প্রত্যাখান করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউজিসির নিয়োগ ও পদোন্নয়নের নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকায় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সুযোগ-সুবিধার তারতম্য এবং বৈশিষ্ট্যগত স্বাতন্ত্র্যকে গুরুত্ব না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তঃবৈষম্য বাড়াবে ও স্বায়ত্তশাসন খর্ব করবে। নির্দেশিকায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে চাকরির সময়কাল ও প্রকাশনার সংখ্যাকে প্রাধান্য দেওয়ার ফলে শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান মূল্যায়নের সুযোগ কমে যাবে।

বিজ্ঞাপন

আরও বলা হয়, এই নীতিমালায় শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো, গবেষণার অর্থায়ন বা উচ্চশিক্ষায় বৃত্তি সম্পর্কিত কোনো দিক-নির্দেশনা না থাকায়, প্রত্যাশিত যোগ্যতা অর্জনে নির্দেশিকাটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে না। নীতিমালা বিষয়ক নির্দেশিকাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান স্বায়ত্তশাসন-বিরোধী, বৈষম্যমূলক ও মেধা বিকাশের অন্তরায় হওয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক এই নির্দেশিকা প্রত্যাখ্যান করছে এবং দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তানজিল সওগাত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জ্ঞানচর্চা এবং জ্ঞান বিকাশের জায়গা। শুধুমাত্র পাঠদান এখানে মূল উদ্দেশ্য না। অথচ এই নীতিমালাতে জ্ঞান চর্চা বা বিকাশের থেকেও একজন শিক্ষক কতবছর চাকরি করেছে অর্থাৎ অভিজ্ঞতার সাংখ্যিক গুরুত্বকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামগ্রিক জ্ঞান চর্চা ও বিকাশের সুযোগ কমে গেছে। এ কারণে শিক্ষক সমাজ এই নীতিমালাটি সম্পূর্ণ প্রত্যাখান করেছে ও প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএসএ


Source link

আরো সংবাদ

Back to top button